আজকের দিন-তারিখ

  • রবিবার ( সকাল ১০:৩৪ )
  • ২১ জানুয়ারি২০১৮
  • ৩ জমাদিউল-আউয়াল১৪৩৯
  • ৮ মাঘ১৪২৪ ( শীতকাল )

অনলাইনে আছেন


১ জন অতিথি      

»

সেরা ১০ জন

  • রাহাতুল ইসলাম (1980 পয়েন্ট)
  • Palash Da (1947 পয়েন্ট)
  • কানন (1884 পয়েন্ট)
  • রিয়াদ (1731 পয়েন্ট)
  • স্বল্প জ্ঞানী (1341 পয়েন্ট)
  • চৌধুরী রেজাউল হায়দার (1001 পয়েন্ট)
  • kamal6116 (911 পয়েন্ট)
  • ismailuae09 (900 পয়েন্ট)
  • রাকিব উদ্দিন চৌধুরী (860 পয়েন্ট)
  • আহমেদ জে. রাসেল (857 পয়েন্ট)

নতুন আসলেন যারা

;.
ডিসেম্বর ৩০, ২০১৭
;.
নভেম্বর ১৫, ২০১৭
;.
আগস্ট ১৪, ২০১৭
;.
আগস্ট ২, ২০১৭
;.
জুলাই ২১, ২০১৭

এক বীর সৈনিকের গল্প

এক বীর সৈনিকের গল্প

-চৌধুরী রেজাউল হায়দার ।

 

মোটা ভাত আর মোটা কাপড়ের দাবীতে সংগ্রামের পথ…..

বাংলার মাটি আর বাংলার মানুষ এ ধারা নিয়েই আমার জীবন প্রান….”

 

বাঙ্গালীর মোটা ভাত আর মোটা কাপড়ের দাবীতে সংগ্রামের পথ বাছিয়া নিয়াছি ….  তাহাই আমার নেতা মাওলানা ভাসানীর পথ ধরে নীতির প্রশ্নে অতিতে কোন আপোষ করিনি এবং  ভবিষ্যতেও করিবনা

পরিচয় আমার আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা

 

          হ্যাঁ ভাই বন্দুরা উপরোক্ত কথা গুলো যার তিনি অন্য কোন গ্রহের নন,তিনি আমাদেরই আত্মার অন্তরস্থলে রয়েছেন । যার নাম জনাব আলহাজ্জ সাহাবুদ্দীন পাটোয়ারী যিনি ফেনী জেলার অন্তরগত ছাগলনাইয়া থানার বাঁশ পাড়া গ্রামে জালাল উদ্দিন পাটোয়ারী বাড়ীতে ১৯৫২ সালে জন্ম গ্রহন করেন।পিতামরহুম নওশা মিয়াঁ ,মাতা মরহুমা কাজী জরিফা বেগম এবং তার পিতামহ হলেন-জালাল উদ্দিন পাটোয়ারী ।

           গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা শুরু।১৯৬৮ সনে চাঁদগনী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে  এস এস সি পরিক্ষায় ঊর্তিন্ন হন।জনাব পাটোয়ারী ১৯৭০ সনে ফেনী কলেজে অধ্যয়ন করেছেন,ইংরেজি মাধ্যম নিয়ে তিনি ২য় বিভাগে পাস করেন,তিনি ফেনী কলেজ ছাত্র সংসদের পাঠাগার সম্পাদক ছিলেন।

           ছাত্র জীবনেই তিনি মুক্তি সংগ্রামের  মতন পঠ দেখতে পেয়েছিলেননিজেই স্বেচ্ছায় এই বাংলা জাতির নিজস্ব সত্তাকে উচু করে তুলে ধরে বিশ্ববাসীকে জানান দেবার জন্য অন্ন্যান্ন্যদের মতন তিনিও খুব অল্প বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। মুক্তিযুদ্ধে কষ্টকর হলেও বিরত্ত গাথা কাহিনী সে অকুতোভয় প্রহরীর মুখ থেকে যাহা শুনেছি,তাহাই অবিকল তুলে ধরতে চেষ্টা করছি ।

 চিথলীয়া যুদ্ধ ।

               সহ যোদ্ধা রামজান সহ চিথলিয়া নামক স্থানে সম্মুক যুদ্ধ । দেশ মাতৃকার সেবায় ,নিরিহ নিস্পাপ বাংলা জাতীকে উদ্ধার করার নিমিত্তে নিজেদের জীবনের মায়া পরিত্যাগ করতে কুণ্ঠাবোধ করেন নি ।অন্য সাথী ভাইদের সাথে জনাব সাহাবুদ্দীন পাটোয়ারী  এবং রমজান আলী পাক-বাহিনী বহনকারী ট্রেনের উপর সসস্র হামলা করেন।  হানাদার বাহিনীর ছিল বেশ শক্তিমান অশ্রসশ্র গোলাবারুধ । একটু বেখেয়ালি হলে কিংবা অমনোযোগী হলে নেই কোন রক্ষা জীবনের তা জেনেও উনারা দুই জন প্রথমে আঘাত হানেন ,মৃত্যুকে মুহূর্তের জন্য ভুলে গিয়ে ট্রেন এর ইঞ্জিনের উপর আক্রমন করেন নিজেদের অস্র দিয়ে। উনাদের দুইজনের গুলিবর্ষণে ট্রেনের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়।মুহূর্তের ভেতর যা হবার তাই ঘটলশুরু হল দুই পক্ষের তুমুল গোলাগুলি।

 

          পক্ষ বিপক্ষের গলাগুলির এক পর্যায়ে জনাব সাহাবুদ্দীন পাটোয়ারীর  সাথে থাকা  মজুত  অস্রের কার্তুজ শেষ হয়ে যায়। সহ যোদ্ধারা তাদের যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন  দেখে তিনি নিরব চুপ চাপ দাঁড়ীয়ে  না থেকে কিংবা পালিয়ে না গিয়ে শরিরের রক্ত ধমনির উন্মত্ততায় আর সাহসের উপর ভর করে বাজি রেখেছিলেন নিজের জীবন ,রেইল লাইন থেকে লাফিয়ে ঝাপ দিয়ে পড়ে  একটা জানোয়ার হানাদার বাহিনীর লোককে ঝাপ্টিয়ে  ধরে ফেললেন। এই যুদ্ধে উনারা পাক-বাহিনী থেকে অনেক গোলাবারুধ আর অস্রসস্র উদ্ধার করেন,এই মহান সমরযুদ্ধ পরিচালনা করেন জনাব কর্নেল(অবঃ) জাফর ইমাম বীরবিক্রম *এতদসংক্রান্ত সার্টিফিকেট রয়েছে  ।  

            এর বেশ কয়েক দিন পর উনারা কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা সীতাকুণ্ড পাহাড়ের ভেতর দিয়ে হাঠাজারিতে গিয়ে উঠেন ,সেখান থেকে পরবর্তীতে গিয়ে অবস্থান নিয়েছিলেন সেই চির শ্যামল চিরহরিৎ সবুজের নীলিমায় ঘেরা চির উন্নত মম শির খ্যাত সেই চট্টলার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। চট্রগাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগ থেকে এই নবীন কশোরকে সেদিন  বীর সৈনিক উল্লেখ করিয়া  মানপত্র  আকারে একটি কবিতা প্রকাশ করে । সত্যি গর্ববোধ করার মতন গল্প। এ খানে উল্ল্যেখ করার দরকার যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের    কবিতা বই প্রকাশের সময় উনার কমান্ডারদের থেকে  অনুমতি জিজ্ঞাসা চাওয়া হয়েছিল। উনার কমান্ডার ছিলেন কর্নেল অব জাফর ইমাম বীরবিক্রম এবং বিগ্রেডিয়ার খালেদ মোশারফ।

             যুদ্ধ শেষে পরাধিনতার জুজুভয় যায় কেটে ,দেশ  স্বাধীন হয় , নিশ্চিত হয় বুকফুলিয়ে নিজের মতন করে নিজের ভুমিতে বিচরন  করার  অধিকার  লাভ ।নিজেকে ফের গড়ার জন্য জনাব পাটোয়ারী  ১০ম রেজিম্যেন্ট এ যোগ দান করেন। পরবর্তীতে অসমাপ্ত লেখাপড়াকে সমাপ্ত করার জন্য সৈনিক জীবন থেকে ছাত্র জিবনে ফিরে আসেন ;ফের ফেনী কলেজে বি এ ক্লাসে  ভর্তি হন।

      বি,এ পরিক্ষা চলাকালীন সময় মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানির কণ্ঠে কণ্ঠ মিলাইয়া  রক্তিম বক্তব্য ছুঁড়েছিলেন ফেনীর  কেন্দ্রীয়  শহিদ  মিনার চত্বরে যার প্রেক্ষিতে উনার উপরে হুলিয়া জারী  করা হয় ।এই বীর সৈনিককে  গ্রাফতার করার জন্য তার অর্থনীতি পরিক্ষার দিন ফেনী কলেজ ঘেরাও করা হয়। গ্রাফতার থেকে বাঁচার  জন্য তিনি পরিক্ষা শেষ হবার ২০মিনিট পূর্বেই পরিক্ষার হল ত্যাগ করেছিলেন। হুলিয়া মাথায় নিয়েই ঢাকায় চলে যান।

           জনাব পাটোয়ারী ঢাকায় ফুলবাড়িয়ায়  হকারস  হকার্স পুনর্বাসন সমিতি গঠন করেন। পুনর্বাসন সমিতিতে থাকা অবস্থায় মরহুম কর্নেল অবঃ আকবর হোসেনের আর্থিক সহায়তায় ,আলমগীর মজুমদারের অনুরোধে এবং মরহুম প্রধান শিক্ষক  ছায়েদল হল স্যারের নির্দেশে আবার   ফের তার স্বাভাবিক শিক্ষা জীবনে  ফিরে আসেন ।

তিনি ১৯৭৪ সালে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন তিনি। ১৯৮৩ সালে সম্মান সহ এম এ  দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করেন। তিনি ১৯৮২ সালে প্রথম পর্ব  এল,এল, বি  এবং ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় পর্ব এল,এল,বি সম্পন্ন করেন।উল্লেখ্য  জনাব পাটোয়ারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুধানে  তাঁর পড়ালেখা  করেন ।

 

জনহিতকর  কার্যাবলী

             ছাগলনাইয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা যখন উলা শ্রেণীতে রূপান্তরিত করা হয় জনাব সাহাবুদ্দীন পাটোয়ারী তখন প্রথম অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।তাঁহার  বি,এ অনার্স  এম,এ কাগজ দিয়ে কলেজের কাজ সূচনা করা হয়। দুই বছর অধ্যাপনা কালে করতিপক্ষ থেকে কোন রকম আর্থিক বেতন  তিনি গ্রহন করেন নাই। সেচ্ছায় নিবেদিত প্রান হয়ে এলাকার শিক্ষা বিস্তারের জন্য কাজ করেছিলেন। সরকার থেকে নামে মাত্র যে কানাকড়ি বরাদ্ধ ছিল তাও মাদ্রাসার উন্নয়নে দান করে দিয়েছিলেন।তখন ছাগলনাইয়া উপজেলা চেয়্যারমান  জনাব মরহুম সলিম উল্লাহ চৌধুরী  উক্ত কলেজ মাদ্রাসার সভাপতি আব্দুল কাদের মজুমদার এবং কলেজ অধ্যাক্ষ সাহেবের নজরেও ছিল পাটোয়ারী সাহেবের অনুদান এবং এতদ সংক্রান্ত তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ করা আছে মাদ্রাসার হিসাব রক্ষিত খাতাতেও।  

 

           একই সময় তিনি ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদের বিদ্যানুরাগী হিসেবে সদস্য পদ লাভ করেন।বাঁশ পাড়া গ্রামের মেয়েরা অন্যান্ন গ্রাম থেকে শিক্ষা দীক্ষায় অনেক পিছু ছিল। তাই তিনি তাঁর  গ্রামের কিছু কলেজ ছাত্র,চাকুরীজীবী, ব্যাবসায়ীও সমাজের গন্যমান্যদের সাথে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিলেন  গ্রামে একটি হাইস্কুল করার একান্ত দরকার এবং উনারা উক্ত গ্রামে একটি হাইস্কুল গড়েছেন। সেদিনের সবার সাধ্য অনুযায়ী কেউ বাশ,কেউ টিনেবং কারো কারো কায়িক পরিশ্রমের ফলে একান্ত আর ঐকান্তিক চেষ্টায়  গড়া হাই স্কুলটি আজ ছাগলনাইয়া উপজেলায় আদর্শ স্কুল হিসেবে পরিচয় বহন করিতেছে।

 

              জনাব পাটোয়ারী বলেছেন যে, তিনি যাদেরকে সাথে নিয়ে এই স্কুলের কাজে যোগ দিয়েছিলেন তাদের সবার ন্যায় সৎ কর্মী এযাবৎ আর দেখেনি ।  তারাও অনেকে নিজেদের কাজকর্ম  ফেলে রেখে এসে সময় দিয়েছিলেন স্কুলের কাজে।

          

           ঢাকার টঙ্গীতে উনাদের একটা দোকান আছে ফেনী বানিজ্য বিতান নামে।সেই দোকান ফেলে ছলে এশেয়ছি এই বদ্যালয়ের জন্য,সে দোকান পরবর্তীতে উনার ছোট ভাই দেখতেন।স্কুল  প্রতিষ্ঠা কালে জনাব পাটোয়ারী বিবাহিত ও এক কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন।এই বিদ্যালয়ের জন্য সংসার ধর্ম ত্যাগ করে নিজেকে বিলিয়ে দিলেন, বিদ্যালয় উন্ন্যনের কাজে একাকার হয়ে পরেছিলেন ।   

জনাব সাহাবুদ্দিন পাটোয়ারী আরো বললেন,     

           উক্ত বিদ্যালয়ের একক কোন দান দাতা ছিলনা।বড় আকারের দান করেছিলেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান জনাব ফয়েজ আহাম্মদ সাহেব ,আর বিশেষ দান সহযোগিতা করেছিলেন কর্নেল (অবঃ) জাফর ইমাম বীরবিক্রম। জনাব  জাফর ইমাম পাটোয়ারি সাহেবকে হেড মাষ্টার বলিয়া ডাকিতেন।তিনি  আর বলেন, এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে উনাকে এবং উনার সহকর্মীরা কিছু লোক দ্ধারা  সমালোচনার সমুক্ষিনে পরতে হয়েছিল । দেশ ত্যাগের পূর্ব পর্যন্ত তিনি ছোট বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যানুরাগী হিসেবে কমিটিতে ছিলেন। 

 

ছাত্র জীবনে বিভিন্ন পত্রিকায় ও দেওয়াল পত্রিকার লেখা লিখেছিলেন।       

নয়াযুগ” –পত্রিকায় স্বাধীনতা যুদ্ধে ছাত্র সমাজের ভুমিকা

মিছিল” –পত্রিকায় স্বাধীনতা রক্ষাকল্পে ছাত্র সমাজের এনং আমাদের ভুমিকা

বারুধ” –বিশ্ববিদ্যালয়ে বারুধ নামক দেওয়াল পত্রিকা সম্পাদনা  করেছিলেন ।

            দেশের পরিবেশ পরিস্থিতি সত্যি ব্যাথিত করেছে বলে ১৯৯০ সালে ডিসেম্বর মাসে প্রিয় স্বদেশ ভুমি ত্যাগ করেন সপরিবারে । ।এই বীর  সৈনিক ফ্রান্স এর প্যারিস নগরীতে   বসবাস করছেন প্রায় সুদীর্ঘ ২৪ বছর যাবত ।

 

              তিনি ২০০৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই  খানের একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান (ম্যারি) অর্থাৎ পৌরসভায়  চাকিরিত ছিলেন। তিনি প্রবাশে কর্মরত  অবস্থায় দুর্ঘটনায়  পতিত হন,এতে তাঁহার কোমড়ের ডিস্ক ফেটে যায় । পর পর তিনবার অস্র প্রচার করা হয়েছিল ।ডাঃ বলেছে, যতদিন  বেঁচে  থাকবেন তত দিনই ঔষধ শেবন করিতে হইবে। বর্তমানে  তিনি অবসর এবং  বার্ধক্য  জিনিত জীবন কাটাচ্ছেন । সময় কাটাবার জন্য তার পাশাপাশি একটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান গড়েছেন। 

 

 

   ফ্রান্স ভাষার উপরে পর পর দুটি ডিপ্লমা কোর্স করেছেন,যাকে  এদেশী ভাষায় বলা হয় স্তাজ।

1/ Sponsoble de Service Adaptation Linguistique de le CIMADE

2/ Certificate de Stage n°-1992.Que de la CIMADE

                   (01.02.1992 to 03.07.1992)

3/ Attestation de fin de stage :

             A tout form (02.09.2002 to 20.12.2002)

 

সুদূর  প্রবাসে বাংলাদেশ পল্লীমঙ্গল সমিতির সভাপতি হিসেবে গত ১৪ বছর যাবত দায়িত্ত পালন করে আসছেন।

 

           জনাব সাহাবুদ্দিন পাটোয়ারীরা ছয় ভাই এক বোন ।তিনি ফেনী জেলার সদরেই রামপুরা পাটোয়ারী  বাড়ীতে ১৯৮৫ সালে বিয়ে করেন । বর্তমানে তিনি চার কন্যা সন্তানের জনক। প্রথম এবং দ্বিতীয় কন্যা বি,এ অনার্স এম,এ যথাক্রমে একাউন্টিং এবং ইকোনমিক্স নিয়ে লেখাপড়া শেষ করে চাকুরীরত আছে। তৃতীয় মেয়ে বাক অর্থাৎ ইন্টারমেডিয়েট পাশ করেছে মাত্র এবং প্যারিসের শ্রেষ্ট  বলে খ্যাত সেই শরবন ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে। উল্ল্যেখ্য  শরবন  ইউনিভার্সিটিতে  ভর্তি হবার যোগ্যতা খুব কম ছাত্র ছাত্রীর দেখা যায়।বেশ মেধা থাকার দরকার এই ইউনিভার্সিটিতে অর্থাৎ এই শরবন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হলে। চতুর্থ মেয়ে এইবার  অষ্টম শ্রেণীতে পড়ছে ।গেল বছর দুয়েক পূর্বে সস্ত্রীক তিনি হজ্জ ব্রত পালন করে এসেছেন।

 

সাথে যে সমস্থ কাগজ পত্র সংযোজনের জন্য রেখেছিলেনঃ

 

১/ স্বাধীনতা সংগ্রামের সনদপত্র ফটোকপি

২/ চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ

৩/ চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ

৪/ সাপ্তাহিক মুহুরি পরিচয় পত্র

৫/ কবিতা-চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

৬/ সার্টিফিকেট দ্যো স্তাজ

৭/ এট্যেস্টেশান দ্যো ফাঁ দ্যো স্তাজ

 

 এই ছিলো জনাব সাহাবুদ্দীন পাটোয়ারীর বর্তমান অবস্থা এবং এই ক্ষুধে মানুষের আঁকা এক বীর সৈনিকের গল্প

বি দ্রঃ  প্রিয় পাঠক/পাঠিকা,

 

১) প্রায় সময় কথার প্রসঙ্গক্রমে জনাব সাহাবুদ্দীন পাটোয়ারীর যাঁহাদের  কথার রেফারেন্স দিয়েছিলেন বা যাঁদের  সাথে সক্ষতা বেশি রয়েছে বলে জানাতেন,তাঁরা হলেনঃ  

 

মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী,কিংবদন্তি নেতা হায়দার আকবর খান রনো,বর্ষীয়ান নেতা মান্নান ভুঁইয়া , ত্যাজোদিপ্ত ঢাক হুঁঙ্কার সৃজনশীল স্বর কাজী  জাফর আহাম্মমদ,চিন্তা চেতনায় সুশৃঙ্খল কর্নেল (অবঃ)  জাফর ইমাম বীরবিক্রম , প্রগতিবাদী নেতা জনাব রাশেদ খান মেনন ও আব্দুল্লাহ আল নোমান সাহেব সহ এমন মননশীল সত্যের সন্ধানী আর দেশ প্রেমিক আরো অনেকের নাম উল্ল্যেখ করেছিলেন।  

 

২ )জনাব  আলহাজ্জ সাহাবুদ্দীন পাটোয়ারীর সাথে এই সাক্ষাতকার মূলক  কথাগুলো শুনেছিলাম আজ থেকে ৭ কি ৮ বছর পূর্বে। তাই এত বছর  পূর্বের  কথা গুলো আমার স্মৃতিতে  ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা সন্দেহে রয়েছি । পাটোয়ারী সাহেব দেশে বেড়াতে গিয়েছেন।দেশ থেকে ফিরে এলে কোন সংশোধন  করার থাকলে পরে তা উনার সাথে বিশধ আলাপ করে সংজোজন  কিংবা বিয়োজন  করে নেব বলে আশা রাখছি।    

 

-হায়দার ।

প্যারিস,ফ্রান্স

 

১৩/০৮/২০১৫

একজন লেখকের জন্য পাঠকের মন্তব্য অনেক গুরুত্বপুর্ন। আশা করি আপনারা এই লেখাটি নিয়ে আপনাদের মতামত জানাবেন।

পোষ্টটি লিখেছেন: চৌধুরী রেজাউল হায়দার

( 5 বছর 0 মাস 28 দিন ধরে ফেনী ব্লগে আছেন।)

চৌধুরী রেজাউল হায়দার এই ব্লগে 68 টি পোষ্ট লিখেছেন .

ফেনীর আনাচে কানাচে জেন লুকিয়ে রয়েছে হাজার স্মৃতি মালা,এই ত সেদিন যেন বসেছিলাম শিউলি কিংবা বকুল তলায়, কূড়িয়ে এনেছিল কেউ কেউ হাস্না কিংবা সন্ধ্যা মালতি,সোভাজ্ঞ্যের কানায় পারিনি পোছিতে হয়তঃবা তারি কারনে পুস্পেরা আদো রয়েছে বিরোহের মোহনায় নেত্র করে ভারি..............প্রীয় পাঠক/পাঠিকা আমার ব্যাপারে না হয় থাক... আজ এই সীমীত খানা.......হায়দার ,প্যারিস ,ফ্রান্স। .১৯/০১/২০১৩ ============================================================================================ =======ছুটিতে থাকার কারনে দু মাস অনুপস্থিত============ আগামী পহেলা মে থেকে পহেলা জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকছি বলে মনে হচ্ছে,তার কারনে হয়তবা সেই সময়টায় ফেনী ব্লগ এ লেখার সুজগ কম পাবার সম্ভাবনা রয়েছে,তবে মাজে মাজে নেট এ বসতে পারলে ফেনী ব্লগ এ ও ডু দিয়ে যাবো........তা ছাড়া দেশে গেলে মেক্সিমাম তাইম টা গ্রামের বাড়িতে কাটাব............ফেনী ট্রাঙ্ক রোড এলাকায় প্রটি সপ্তাহে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।এরি ভেতর যেই সকল সাথী ভাই বোন দের সাথে আলাপচারিতা হয়েছে মাঝে মধ্যে .এমন দের সাথে দেখা সাক্ষাত হলে আমি ও অনেকটা আনন্দ পাবার ইচ্ছা পোষণ করি.................হায়দার,প্যারিস,ফ্রান্স,২৫/০৪/২০১৩

FavoriteLoadingপ্রিয়তে নিন
0.00 avg. rating (0% score) - 0 votes

২ টি মন্তব্য করা হয়েছে এক বীর সৈনিকের গল্প

  • এই বীর সৈনিকের জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা।
    সাথে হায়দার ভাইকে ধন্যবাদ আর একটি অনুরোধ যদি সম্ভব হয় ওনার একটি ছবি সংযুক্ত করার জন্য।

    • কানন ভাই,
      শুভেচ্ছা থাকল।লেখাটা পড়েছেন দেখে খুশি হলাম বেশ।আর পাটোয়ারী সাহেবের ফটো দেখতে ছেয়েছিলেন=হ্যা তা দিতে পাড়লে ভালো হত,তিনি বর্তমানে দেশে বেড়াতে গিয়েছেন….আগামি মাসের শুরুর দিকে ফিরবেন…্তখন নাহয় ছবি দেবার চেষ্টা করব । আর তা ছাড়া ফেনী প্রেস ক্লাব ,ফেনী ব্লগ কিংবাি,জে কোন সংস্কৃতিক সংঘটনের ব্যানেরে কিংবা নিজস্ব উদ্যোগেও আপনারা উনার সাথে দেখা করতেন পারেন্‌। বেশ অমাইক সাদা সিদে মানুষ তিনি।তবে যথেষ্ট সামাজিক আর আন্তরিক মনের মানুষও তিনি।
      ১৩/০৮/২০১৫

মন্তব্য করুন